৮:১৫ অপরাহ্ণ - বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / অর্থনীতি / পাটকাঠি থেকে অ্যাকটিভেটেড চারকোল রপ্তানি করে বাণিজ্যের নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে : পাট প্রতিমন্ত্রী

পাটকাঠি থেকে অ্যাকটিভেটেড চারকোল রপ্তানি করে বাণিজ্যের নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে : পাট প্রতিমন্ত্রী

mirza azom    31.7.16ঢাকা, ৩১ জুলাই, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত চারকোল উৎপাদন বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এম.পি. বলেছেন, পাটকাঠি থেকে অ্যাকটিভেটেড চারকোল উৎপাদন দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

তিনি বলেন, এতে কৃষকরা পাট উৎপাদনে আরও বেশী আগ্রহী হওয়ার পাশাপাশি সোনালী আঁশের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সভায় চারকোলের বিষয়ে জানানো হয়, দেশে প্রথম ২০১২ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে পাটকাঠি থেকে অ্যাকটিভেটেড চারকোল (এক্টিভেটেড চারকোল) উৎপাদন শুরু হয়। ওই বছরই সর্বপ্রথম চীনে এ পণ্য রপ্তানী করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চারকোলের চাহিদা রয়েছে। দেশে এ পণ্য উৎপাদনের ব্যাপ্তি বাড়লে আগামীতে জাপান, ব্রাজিল, তুর্কিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, দঃ করিয়া, তাইওয়ান, কানাডা, মেক্সিকোসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চারকোল রপ্তানি সম্ভব হবে।

বর্তমানে বিদেশে চারকোল দিয়ে ফেস ওয়াস, ফটোকপিয়ারের কালি, পানির ফিল্টার, বিষ ধ্বংসকারী ওষুধ, জীবন রক্ষাকারী ঔষুধ ও দাঁত পরিষ্কার করার ঔষধ তৈরি হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনে এর কার্বন ব্যবহৃত হচ্ছে।

সভায় জানানো হয় বর্তমানে বাংলাদেশে ১০ থেকে ১২টি চারকোল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো হল, সানবিম কর্পোরেশন, মাহফুজা এন্ড আহান এন্টারপ্রাইজ, জামালপুর চারকোল লিমিটেড ও রিগারো প্রাইভেট লিমিটেড। বর্তমানে জামালপুর, নারায়ণগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলাতে বাণিজ্যিকভাবে চারকোল উৎপাদন শুরু হয়েছে।

সভায় চারকোল মালিকদের পক্ষ থেকে চারকোলের অবারিত সম্ভাবনার কথা উপস্থাপন করে জানানো হয়, দেশে প্রতিবছর প্রায় ৩০ লাখ টন পাটকাঠি উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে যদি ৫০ ভাগ পাটকাঠি চারকোল উৎপাদনে সঠিক ভাবে ব্যবহার করা যায়, তবে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টন চারকোল উৎপাদন সম্ভব হবে। যা বিদেশে রপ্তানী করে প্রতিবছর প্রায় ২ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সারা দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দিন দিন বৃদ্ধি পাবে।

চারকোল মালিকদের পক্ষ থেকে চারকোল শিল্পকে একটি উদীয়মান শিল্প হিসাবে ঘোষণা দেয়ার আহবান জানানো হয়। এ শিল্পে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড় পত্র ও পাটজাত পণ্য হিসাবে ২০ ভাগ ক্যাশ ইনসেনন্টিভ দেয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করারও আহবান জানানো হয়।

এছাড়া তারা এ শিল্প বিকাশে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অর্ন্তভুক্ত বা সহযোগি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সুযোগ দেয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি এ শিল্পের জন্য দ্রুত পৃথক নীতিমালা তৈরির করার আহবান জানানো হয়। এ শিল্পের জন্য সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা ও ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করারও দাবি করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী এসব প্রস্তাব ও পরার্মশ সম্পর্কে বলেন, নতুন এ খাতের সমস্যা সম্পর্কে সরকার অবগত আছে। এ সমস্যা দূর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি চারকোল শিল্পের বিকাশের জন্য সকল পক্ষের সার্বিক সহযোগিতা চান।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ কাদের সরকার,বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. মতিউর রহমান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিসহ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents