৩:২৯ পূর্বাহ্ণ - সোমবার, ১৯ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / চালু হচ্ছে আইটি ইনকিউবেশন সেন্টার : কর্মসংস্থান হবে ১ লাখেরও বেশি মানুষের

চালু হচ্ছে আইটি ইনকিউবেশন সেন্টার : কর্মসংস্থান হবে ১ লাখেরও বেশি মানুষের

IT inqubation centar     25.7.16টেকনোলজী ডেস্ক, ২৫ জুলাই, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ডিজিটাল যুগের সাথে সম্পৃক্ত করতে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে কর্মসংস্থানের জন্য বিশ্বমানের তথ্য-যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পেশাজীবী তৈরীর লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে আইটি ইনকিউবেশন সেন্টার। কানেক্টিং স্টার্টআপ ২০১৬ সালের ১০টি নির্বাচিত স্টার্টআপকে সহায়তা দেবার জন্য রাজধানীর কাওরান বাজারে অবস্থিত জনতা টাওয়ারে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে নতুন এই সেন্টারটির ২৭ জুলাই (বুধবার) উদ্বোধন হতে যাচ্ছে।

এই ইনকিউবেশন সেন্টারে কানেক্টিং স্টার্টআপস প্রতিযোগিতার ১০ বিজয়ী তাদের স্টার্টআপগুলো সফল করতে পাবেন সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা।এ উদ্যোগে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও এগিয়ে এসেছে। ইনকিউবেশন সেন্টারে সেরা ১০ প্রতিযোগীকে ১ বছরের জন্য বিনামূল্যে নির্ধারিত অফিস স্পেস, নিবেদিত মেন্টরশিপ, অর্থসংস্থানের ব্যবস্থা, উদ্ভাবনী অনুদান, আইনি সহায়তাসহ বিশ্ব স্টার্টআপস এক্সিলারেটর প্রোগ্রামে অংশ নেয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

আইটি ইনউবেশন সেন্টারটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেবেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ইন্টারন্যাশনাল টেলিকম ইউনিয়ন (আইটিইউ)-এর সেক্রেটারি জেনারেল হাওলিন ঝাঁও এবং বাংলালিংকের এমডি ও সিইও এরিক অস্।

‘কানেক্টিং স্টার্টআপস বাংলাদেশ’ নবীন উদ্যোক্তাদের উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসূত্র তৈরির একটি প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের মধ্য থেকে ভবিষ্যতে ফেইসবুক, গুগল বা মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রতিভা জাগ্রত করতেই আয়োজিত হয়েছে কানেক্টিং স্টার্টআপ বাংলাদেশ কর্মসূচি। প্রযুক্তিক্ষেত্রে নতুন উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে আগ্রহীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ভাবনা নিয়ে একক এবং দলগতভাবে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন প্রতিযোগিরা।

স্টার্টআপস কমিটি প্রতিযোগীদের আবেদন যাচাই করে স্কোর দেন। স্কোরিং-এর ওপর ভিত্তি করে সেরা আবেদনকারীরা তাদের প্রজেক্ট উপস্থাপন করেন। বাছাই করা হয় সেরা ১০ স্টার্টআপকে। এ প্রতিযোগিতায় ৪৩৫টির বেশি আবেদন থেকে তিন পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করার পর গ্রোথ ও আইডিয়া সেক্টর থেকে ২৫টি করে মোট ৫০টি দলকে চুড়ান্ত করা হয়। কানেক্টিং স্টার্টআপস প্রতিযোগিতাটি যৌথভাবে আয়োজন করে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ (বিএইচটিপিএ) এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)।

বিশ্বের উন্নত দেশ যেমন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিলসহ বিভিন্ন দেশে স্টার্টআপগুলোর জন্য প্রাইভেট পাবলিক পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলের আদলে এই উদ্যোক্তাদের সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারও একটি স্টার্টআপ সহায়তা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এরূপ কার্যক্রম বাংলাদেশে এটিই প্রথম। মূলত, প্রোডাক্ট ইনোভেশনকে প্রোমোট করার জন্য আয়োজন করা হয়েছে কানেক্টিং স্টার্টআপস বাংলাদেশ।

এটি শুধু টেক ইনোভেশন প্রতিযোগিতাই নয়, এর একটি ভিন্ন মাত্রাও রয়েছে। এতে যুক্ত হয়েছে ফেনোক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি ও বাংলালিংক-এর উদ্যোগ সহযোগিতা। এতে দেশের তরুণরা বিশ্ব জয় করার মতো নতুন নতুন উদ্ভাবন, আইটি প্রোডাক্ট, আইডিয়া উপস্থাপন করেন।

এই কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের ২০২১ সালের মধ্যে ১ হাজার উদ্ভাবনী আইসিটি পণ্য তৈরির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে। বাংলালিংক ১০টি নির্বাচিত স্টার্টআপকে আইটি ইনকিউবেশন সেন্টারে এক বছরের জন্য পূর্ণ সহযোগিতার ব্যয় বহন করবে। শীর্ষ ৫০ স্টার্টআপ-এর বাকি ৪০টি স্টার্টআপ এখানে কো-ওয়ার্কিং স্পেস ব্যবহারের সুবিধা পাবে। এই ৪০টি স্টার্টআপ তিন মাস সমমানের এক্সেলারেটরের সহায়তা পাবে। এ প্রকল্পের প্রথম পর্যায় শেষ হলে আগামী দশ বছরে এখানে প্রায় এক লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইনকিউবেটর সেন্টার চালু হলে আগ্রহী তরুণরা আইসিটি খাতে দক্ষ হয়ে উঠবে। ভবিষ্যতে জাপানসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের আইসিটি বাজারে দক্ষ তরুণ-তরুণীদের প্রোগামার কিংবা কোডার হিসেবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের আইসিটি খাতকে বিশ্ব বাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখা এবং তরুণ প্রজন্মকে আইসিটি খাতে দক্ষ করে তুলতে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন মেয়াদী প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের সভায় হাইটেক পার্ক নাম পরিবর্তন করে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি করা হয়েছে। ৩৫৫ একরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি হলো বাংলাদেশের সর্বপ্রথম হাইটেক পার্ক। এর মধ্যে ২৩২ একর জমিকে পাঁচটি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। এক নম্বর ব্লকে প্রশাসনিক ভবন, হাসপাতাল, কাস্টম হাউজ, স্কুল-কলেজ, ব্যাংক, শপিংমল, আবাসিক এলাকা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। দুই নম্বর ব্লকে মাল্টি টেন্যান্ট বিল্ডিং, শিল্প এলাকা, কনভেনশন সেন্টার এবং হোটেল থাকবে। তিন নম্বর ব্লকে মাল্টি টেন্যান্ট বিল্ডিং, শিল্প এলাকা, চার নম্বর ব্লকে শিল্প এলাকা এবং হেলি প্যাড তৈরি করা হবে। সর্বশেষ পাঁচ নম্বর ব্লকে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, শিল্প এলাকা ইত্যাদি নির্মাণ করার কাজ শুরু হয়েছে।

এছাড়াও এখানে আধুনিক রেল স্টেশনও স্থাপন করা হচ্ছে। যা দিয়ে এ সিটিতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্টরা দ্রুত যাতায়াত করতে পারবেন। এখানে ২৮টি বিভিন্ন কম্পোনেন্টের ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এসব প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দেশের আইসিটি খাতে সৃষ্টি হবে নতুন এক অধ্যায়ের। লেখক : ফয়েজুর রহমান  সৌখিন (সৌজন্যে বাংলামেইল)

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents