৩:০২ অপরাহ্ণ - রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / পাবনার খবর

পাবনার খবর

এস, এম, আজিজুল হক, স্টাফ রিপোর্টার-পাবনা, ১৮ জুলাই, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): 

বেড়া পৌরসভার নির্বাচন আওয়ামীলীগের জন্য অগ্নি পরীক্ষা

পাবনার বেড়া পৌরসভা নির্বাচন নৌকা মার্কার প্রার্থীর জন্য বিরাট অগ্নি পরীক্ষা হয়ে দাঁড়াবে। বাংলাদেশ সরকার ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নীতি নির্ধারকদের নির্দেশানুযায়ী প্রতিটি মহল্লা প্রতিটি ওয়ার্ডে সন্ত্রাস ও জঙ্গি বিরোধী কমিটি গঠন করে জোড়ালো কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গি বিরোধী কার্যক্রমের কারনে স্বাধীূনতা বিরোধী চক্র ও তাদের দোশররা এমনিতেই নাখোস হয়ে আছে, আর এরই মধ্য দিয়ে নির্বাচনী বৈতরনী পার হওয়ার জন্য ভোট ভিক্ষা করতে হচ্ছে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে। এই পৌরসভায় জামাত বিএনপি’র সমন্বয়ে কোন প্রার্থী দেয়া হয়নি বলে জানা গেছে। বিএনপি একক সিদ্ধান্তে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার জন্য হাজী আব্দুল মান্নানকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে। এদিকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হওয়ার পর থেকেই সংস্কারপন্থী নেতা বলে খ্যাত সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ড. অধ্যাপক আবু সাঈয়ীদের ভাগ্নে ডাঃ আব্দুল আওয়াল বেড়া পৌল এলাকার জামাতীদের সাথে জোড়ালো ভাবে লিয়াঁজো শুরু করে। জামাতের আমীর মওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার পর ডাঃ আব্দুল আওয়াল তার বাড়ী সংলগ্ন একটি কিন্ডার গার্টেন স্কুলে তারই আয়োজিত এক সমাবেশে নিজামীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে পড়েন যা পরের দিন স্থানীয় পত্রিকাগুলো ফলাও করে প্রচার করে। জাতীয় রাজনীতিতে জামাত বিএনপি’র মধ্যেকার দুরত্ব  তৃণমূল পর্যায়েও বেশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ডাঃ আওয়াল এই দুরত্ব কাজে লাগিয়ে জামাতী ঘড়ানার ভোটারদের অনেকটাই আকৃষ্ট করতে সমর্থ হন। তারই ধারাবাহিকতায় এবং জামাতীদের আশ্বাসকে পুঁজি করে সরকারী চাকুরী ছেড়ে দিয়ে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন লাভের চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বেড়া পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মাঠে নেমেছেন। এদিকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রতি মহল্লায় সন্ত্রাস ও জঙ্গি বিরোধী মিটিং ও প্রচার প্রচারনায় স্বাধীনতা বিরোধী চক্র হঠাৎ করেই নির্বাচনী মাঠ থেকে উধাও হয়ে গেছে। এদিকে সংস্কারপন্থী নেতা বলে খ্যাত ড. অধ্যাপক আবু সাঈয়ীদের অনুসারীদের নেতৃত্ব দেয়ার জন্য মাঠে নেমেছে তাঁর আপন ভাগ্নে ডাঃ আব্দুল আওয়াল। বেড়া পৌর নির্বাচনে সংস্কারপন্থীদের পাশাপাশি স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের চক্রান্তকে প্রতিরোধ করে এই নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বীতায় টিকে থাকা অনেকটাই অগ্নি পরীক্ষার সামিল হবে।
অপর দিকে নিজামী পন্থী ও সংস্কার পন্থীদের কার্যকলাপ ও গতিবিধি স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক কড়া নজরদারীতে না রাখলে আসন্ন পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থিতিশীল বেড়া পৌর এলাকা যে কোন মুহুর্তে অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।

পাবনা জেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ
 চরতারাপুর শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান রহমত আলী শেখ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের দ্বিতীয় লোকাল গভার্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এজিএসপি-২) ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে অন্তর্ভুক্ত বাস্তবায়নধীন এজিএসপি-২ আওতায় এ গ্রেডের সারাদেশে ৩০টি ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যান শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়। এর মধ্যে পাবনা জেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ চরতারাপুর ও শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান রহমত আলী শেখ  নির্বাচিত হয়েছেন। ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সেবামূলক কাজের মূল্যায়নে তিনি শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য তিনি পূর্বেও উন্নয়ন ও সেবামূলক কাজের জন্য একাধীক বার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলো

পাবনায় ৩ যুবক নিখোঁজ : জঙ্গি
সম্পৃক্ততার বিষয়ে তদন্ত করছে পুলিশ

পাবনা জেলার আটঘরিয়া ও ঈশ্বরদী এলাকার ৩ যুবক দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের কোন সন্ধান পাচ্ছে না পরিবারের লোকজন। নিখোঁজ যুবকেরা হলেন, আটঘরিয়া থানার নাগদহ গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে লিখন (১৯), ঈশ্বরদী থানার পিয়ারখালী গ্রামের মনোয়ার হাসানের ছেলে সজীব শেখ (২৯) ও নজরুল ইসলামের ছেলে সুমন (২৫)। এই তিন যুবকের জঙ্গি সম্পৃক্ততা থাকার সন্দেহে তদন্ত করছে পুলিশ বলে জানা গেছে।
আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম ফারুক আহমেদ জানান, আটঘরিয়া থানার নাগদহ গ্রামের ফজলুল হকে ছেলে লিখন গত ২০১৬ সালের ২০ মে থেকে নিখোঁজ রয়েছে। গত ১১ জুলাই লিখনের বাবা ছেলে নিখোঁজের বিষয়ে আটঘরিয়া থানায় একটি জিডি করেন। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন, তার ছেলে রাগারাগি করে বাড়ি থেকে চলে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিমান কুমার দাশ বলেন, পিয়ারখালী গ্রাম থেকে সজীব নামের এক যুবক ২০১৫ সালের ২৯ মার্চ এবং একই গ্রামের সুমন ২৭ ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ রয়েছে।  সুমন তার বন্ধুর সাথে বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে আর ফিরে আসেনি। তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করা হয়েছে।
অপরদিকে জেলা পুলিশের নিখোঁজের তালিকাভুক্ত ৪ জনের মধ্যে বেড়া উপজেলার আমিনপুর থানার দড়িমালঞ্চি গ্রামের আমজাদ মোল্লার ছেলে রফিক মোল্লা বাড়ি ফিরে এসেছে। রফিক এলাকার একটি মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যায়। বিয়ের পর বাড়ি ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন আমিনপুর থানার ওসি তাজুল হক। এ সব যুবকের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) সিদ্দিকুর রহমান জানান, নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে তেমন সন্দেহজনক কিছু পাওয়া না গেলেও অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, নিখোঁজরা গুম হতে পারে, মেয়ে ঘটিত ব্যাপারেও নিখোঁজ থাকতে পারে, আবার অপহরণও হতে পারে বা কোন জঙ্গি সংগঠনের কানেকশন থাকতে পারে-আমরা সব বিষয় মাথায় নিয়ে তদন্ত করছি।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents