২:৪০ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক আবারো তিন বছরের জন্য আইন কমিশনে পুনঃনিয়োগ

বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক আবারো তিন বছরের জন্য আইন কমিশনে পুনঃনিয়োগ

khairul    01.07.16ঢাকা, ১ জুলাই, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): এর আগে ২০১৩ সালের ২৩ জুন সরকার তিন বছরের জন্য এবিএম খায়রুল হককে আইন কমিশনের সপ্তম চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়। সে দায়িত্ব পালন শেষে দ্বিতীয়বারের মতো তাকে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হলো।

বৃহস্পতিবার কমিশনের সচিব মো. আলী আকবর সাংবাদিকদেকে বলেন, ‘আইন মন্ত্রণালয় থেকে চেয়ারম্যানের পুনঃনিয়োগ সংক্রান্ত চিঠি কমিশনে এসে পৌঁছেছে। তিন বছরের জন্য পুনঃনিয়োগ দেয়া হয়েছে। আগামী ২৩ জুলাই তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।’

আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে আগের মতই প্রধান বিচারপতির সমান বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন খায়রুল হক।

গুরুত্বপূর্ণ এই সংস্থায় এর আগে দায়িত্ব পালনকারীদের প্রায় সবাই অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি ছিলেন। এর মধ্যে রয়েছেন বিচারপতি এফকেএমএ মুনেম, বিচারপতি কামাল উদ্দিন হোসেন, বিচারপতি মোস্তফা কামাল, বিচারপতি এটিএম আফজাল প্রমুখ।

বিচারপতি আব্দুর রশীদ ২০১০ সালের অক্টোবরে পদত্যাগ করার পর আইন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক মো. শাহ আলমকে। তিনি ২০১০ সালের ২৪ অক্টোবর থেকে ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৪৪ সালের ১৮ মে মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানায় জন্ম নেয়া খায়রুল হক ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন ১৯৬০ সালে। ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি নেয়ার পর ১৯৭৫ সালে লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে বার অ্যাট ল করেন তিনি।

১৯৭০ সালে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরুর পর ১৯৭৬ সালে হাই কোর্টে এবং ১৯৮২ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন খায়রুল হক।

১৯৭৮ সাল থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেন তিনি।

১৯৯৮ সালের ২৭ এপ্রিল বিচারপতি খায়রুল হক হাই কোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০০ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন। এরপর ২০০৯ সালের ১৪ জুলাই সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

হাই কোর্টে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা ছাড়াও সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা, স্বাধীনতার ঘোষণা ও ঘোষক সম্পর্কিত মামলা, রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতার স্মৃতি সংরক্ষণ, ঢাকার চার প্রধান নদী রক্ষা, ঢাকার ট্যানারি স্থানান্তর এবং আপিল বিভাগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলোপ, ফতোয়াসহ বিভিন্ন আলোচিত মামলার রায় আসে খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন আদালত থেকে। অন্যদিকে জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের প্রধান হিসাবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents