৪:৩৮ অপরাহ্ণ - শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / Uncategorized / আদালতের রায়ের পর ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক যাতে সঠিক সময়ে অধিকার পায় তা নিশ্চিত করা জরুরি : মুজিবুল

আদালতের রায়ের পর ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক যাতে সঠিক সময়ে অধিকার পায় তা নিশ্চিত করা জরুরি : মুজিবুল

ঢাকা, ২৬ জুন, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক শ্রম আদালতের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য সরকারে উদ্যোগের কথা জানিয়ে বলেছেন, আদালতের রায় কার্যকরের পরে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক যাতে তাদের ন্যায্য অধিকার সঠিক সময়ের মধ্যে পায় সেজন্য পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।
তিনি আজ রোববার রাজধানীতে বিলস্ সেমিনার হলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) আয়োজিত “শ্রমিক অধিকার সুরক্ষায় শ্রম বিচার ব্যবস্থা : বিদ্যমান অবস্থা ও করণীয় শীর্ষক” সুপারিশমালা চূড়ান্তকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
বিলস্-এর চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান সিরাজের সভাপতিত্বে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. জাফরুল হাসান এবং শ্রম আদালতের সাবেক চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মান্নান বক্তব্য রাখেন। সুপারিশমালা উপস্থাপন করেন বিল্স-এর এ্যাডভোকেসি অফিসার নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ।
মোঃ মুজিবুল হক এমপি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শ্রমিকরা আদালত থেকে রায়ের পরও তাদের ন্যায্য অধিকার পায় না। এছাড়া সিলেট ও রংপুরে দুটি নতুন শ্রম আদালত প্রতিষ্ঠাসহ গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে আরো শ্রম আদালত প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্যোগ নেয়া হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রম আদালতের বিচার ব্যবস্থায় বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা, মামলা জট নিরসণ এবং দ্রুততম সময়ে বিচারকার্য সম্পন্ন করণের জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া কার্যকর সফলতা বয়ে আনবে।
তিনি বলেন, শ্রম আইনের আওতায় শ্রম বিচারকার্যে কোন মামলার শুনানী গ্রহনের আগেই শ্রমিক মালিক উভয় পক্ষের সদস্যদের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করলে কার্যকরি ফল পাওয়া যাবে।এতে শ্রমিকের হয়রানি কিছুটা লাঘব হবে,শ্রমিক তার পাপ্য পাওনা সহজেই বুঝে পাবে,মামলা জট কমবে, এতে শ্রম আদালতের প্রতি আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।
শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রম আইনে বিচারকার্যের সময় সীমা বেধে দেয়া হয়েছে ৬০ দিন। নানা কারণে বিচারকার্য সম্পন্ন হতে বিলম্ব হয়। বিলম্ব হলেও তা কত দিন সেটা নির্দিষ্ট করতে হবে। তিনি বলেন, বিচারকার্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিস্পত্তির জন্য শ্রম আইনের কিছু ধারাও সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রতিমন্ত্রী আদালতের বিচারক ও সদস্যগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
কর্মশালায় উপস্থাপিত সুপারিশমালায় জানানো হয়, অধিকার বঞ্চিত শ্রমিকের শেষ আশ্রয়স্থল হচ্ছে শ্রম আদালত, দেশে মোট ৭ টি শ্রম আদালত রয়েছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক সবমিলে ৬ কোটিরও বেশি শ্রমিকের জন্য একবারেই অপ্রতুল। শ্রমঘন এলাকায় আরো শ্রম আদালত স্থাপনের তাগিদ দেয়া হয়।
এছাড়া শ্রম আদালতের চেয়ারম্যানকে জেলা জজের সমপদমর্যাদার সুযোগ সুবিধা প্রদান ও চেয়ারম্যানসহ সদস্যদের শ্রম আইন বিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

মাইন বিস্ফোরণে মালিতে জাতিসংঘের ৮ শান্তিরক্ষী সদস্য হতাহত

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ০১ মার্চ ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): মালির মধ্যাঞ্চলে বুধবার মাইন বিস্ফোরণে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী …

দক্ষিণ আফ্রিকান তারকা হাশিম আমলা হ্যাম্পশায়ারের সাথে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য চুক্তি করলেন

স্পোর্টস ডেস্ক, ০১ মার্চ ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আসন্ন ইংলিশ মৌসুমে প্রথম তিন মাসের জন্য …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents