১২:২৭ পূর্বাহ্ণ - বুধবার, ১৪ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / বিশ্ব নেতৃবৃন্দ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী বাংলাদেশের ভূমিকা ও সফলতার প্রশংসা করেছেন : শেখ হাসিনা

বিশ্ব নেতৃবৃন্দ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী বাংলাদেশের ভূমিকা ও সফলতার প্রশংসা করেছেন : শেখ হাসিনা

hasina sangsad      15.6.16ঢাকা, ১৫ জুন, ২০১৬ (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সদস্য নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্ব নেতৃবৃন্দ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী বাংলাদেশের ভূমিকা ও সফলতার প্রশংসা করেছেন।

তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি জাপানে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানের সাথে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় তারা সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ এখন এমন একটি বিষয় যা আন্তর্জাতিক বা দ্বিপাক্ষিক যে কোন আনুষ্ঠানিক অথবা অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় এজেন্ডার বাইরেও চলে আসে। সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশের যে কঠোর ও জিরো টলারেন্স অবস্থান রয়েছে তা বিশ্ব নেতৃবৃন্দ জানে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোন আলোচনা না হলেও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সাথে বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় বিশ্বের যেকোন দেশের সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশ সহযোগিতা করবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সন্ত্রাসবাদ দমন করা সম্ভব।

সরকারি দলের সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ অন্যান্য অঞ্চলের মতো দক্ষিণ এশিয়ায়ও বিস্তৃতি লাভ করেছে, যা আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য হুমকিস্বরূপ। এরূপ বাস্তবতায় নিরাপত্তা সহযোগিতার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়াকে একটি শান্তিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ অঞ্চলের দেশগুলো একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি কোলকাতায় ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর দেয়া রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে সর্বপ্রথম দক্ষিণ এশিয়ার জন্য আঞ্চলিক কূটনীতির যে ধারণা তুলে ধরেন, তাতে দক্ষিণ এশিয়াকে একটি দারিদ্রমুক্ত শান্তিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ভারতীয় উপমহাদেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসুক এটি আমার আন্তরিক প্রত্যাশা। আমরা চাই প্রতিবেশীদের মধ্যে নিষ্ফল সংঘাতমূলক বৈরিতার চির অবসান হোক। আমাদের জাতীয় সম্পদ লক্ষ্যহীনভাবে অপচয় না করে বরং আমাদের জনগণের জীবন যাত্রার মানোন্নয়নে তা ব্যবহৃত হোক। নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে, দক্ষিণ এশিয়াকে শান্তিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হিসেবে পাশাপাশি বসবাস করার ক্ষেত্রে আমরা সবার সঙ্গে সহযোগিতা করবো।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযদ্ধের মূল চেতনা ছিল ক্ষুধা, দারিদ্র, শোষণ ও বঞ্চনামুক্ত বাংলাদেশ গড়া। মুক্তিযুদ্ধের এ চেতনার বিস্তৃতি ঘটিয়ে বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়াকেও একটি দারিদ্রমুক্ত, শান্তিপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents