১১:২৬ পূর্বাহ্ণ - শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / ৭টি হলিউড সিক্যুয়েল সিনেমার অপেক্ষায় দর্শক

৭টি হলিউড সিক্যুয়েল সিনেমার অপেক্ষায় দর্শক

7 movieবিনোদন ডেস্ক, ১লা জুন ২০১৬ (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): সিক্যুয়েল শব্দটির উৎপত্তি হলিউড থেকেই। হলিউডে বেশিরভাগ সিনেমার একাধিক পর্ব নির্মিত হয়েই যাচ্ছে। বর্তমান দর্শক প্রিক্যুয়েল, সিক্যুয়েল শব্দগুলোর সঙ্গে পরিচিত। ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’ ছবিটিরই এখন পর্যন্ত সাতটি পর্ব নির্মাণ হয়েছে। জেমস বন্ড যে কত রূপে ধরা দিয়েছেন সিনেমার পর্দায়, তার যেন কোন হিসেব নেই! আর এছাড়াও রিমেক তো রয়েছেই। দর্শক চাহিদার শীর্ষে রয়েছে জেসন বোর্ন, শার্লক হোমসের মত অসংখ্য সিনেমা।

এছাড়াও প্রিয় চরিত্র যদি বড় পর্দায় বার বার ফিরে আসে, তার চেয়ে আনন্দের আর কি হতে পারে দর্শকদের কাছে! এই যেমন নব্বইয়ের দশকে বেড়ে ওঠা দর্শক ‘জেসন বোর্ন’ মুক্তির খবর পেয়ে হয়েছেন উচ্ছ্বসিত। পরবর্তী বন্ড কে হবেন, তাই নিয়েও চলছে বিস্তর জল্পনা। আবার এমন কিছু সিরিজ রয়েছে, যাদের ফেরার আর সম্ভাবনা নেই। যেমন দর্শকের আশায় জল ঢেলে ক্রিস্টোফার নোলান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘ব্যাটম্যান’ সিরিজ জারি রাখার কোনও পরিকল্পনা নেই তার। আবার ‘ঘোস্ট রাইডার’এর মতো সিরিজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন দর্শক।

এ রকমই আরও কিছু সিরিজ বা সিক্যুয়েল সিনেমা সম্পর্কে বলা হচ্ছে এই প্রতিবেদনে, যার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে দর্শক অপেক্ষা করে রয়েছেন।

জোরো সিরিজ
বিশের দশকে ডগলাস ফেয়ারব্যাঙ্কের ‘দ্য মার্ক অফ জোরো’। আর তারপর নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে ‘দ্য মাস্ক অফ জোরো’। সময়ের ফারাকটা বিশাল হলেও দর্শককে আগের মতোই মুগ্ধ করেছিল জোরো। নিপুণ সোয়াশবাকলিং, মেক্সিকান আদিবাসীদের তলোয়ার-যুদ্ধ এবং অ্যান্থনি হপকিন্‌স-অ্যান্তোনিও বান্দেরাসের যুগলবন্দি ছিল মুগ্ধ করার মতোই। ২০০৫ সালে ‘দ্য লেজেন্ড অফ জোরো’ তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি অবশ্য। তবে এই সিরিজের তৃতীয় অংশের জন্য অপেক্ষা করে থাকাই যায়। যেখানে পরের প্রজন্ম জোরো’র উত্তরাধিকার বহন করে নিয়ে যাবে।

ওশ্যান’স সিরিজ
১৯৬০ সালের ছবির রিমেক হল ২০০১ সালে। ‘ওশ্যান’স ইলেভেন’ নতুনভাবে তৈরি হওয়ার পর তার জনপ্রিয়তা দেখে ট্রিলজি বানিয়ে ফেলতে দেরি করেনি ওয়ার্নার ব্রাদার্স। কিন্তু ২০০৮’এ বার্নি ম্যাকের মৃত্যুতে ‘ওশ্যান ফোরটিন’এর সম্ভাবনা বাতিল করে দেন পরিচালক স্টিভেন সডারবার্গ এবং জর্জ ক্লুনি। এরপর শুধু মহিলাদের নিয়ে ওশ্যান’স সিরিজ রিবুট’এর পরিকল্পনাও হয়েছিল। যেখানে মুখ্য চরিত্রে ভাবা হয়েছিল স্যান্ড্রা বুলককে। তবে নতুন করে ওশ্যান’স সিরিজ দেখার ইচ্ছে থাকলে সম্ভবত ব্র্যাড পিট, ম্যাট ডেমন, জুলিয়া রবার্টস, ক্যাথরিন জেটা-জোন্স, জর্জ ক্লুনিকেই আবার দেখতে চাইবেন দর্শক।

হ্যাপি ফিট
পেঙ্গুইনদের নিয়ে অ্যানিমেশন ছবির সিরিজ। ছবিতে অভিনয় শিল্পীদের মধ্যে ছিল এলিজা উড, রবিন উইলিয়ামস, হিউ জ্যাকম্যান, নিকোল কিডম্যানের মতো নাম। প্রথম ছবি অস্কার পাওয়ার পর ২০১১ সালে তৈরি হয়েছিল সিক্যুয়েল। ততদিনে নিউমোনিয়ায় মারা গিয়েছেন ব্রিটানি মার্ফি (গ্লোরিয়ার চরিত্রে কণ্ঠদান করেছিলেন ব্রিটানি)। এবং ‘হ্যাপি ফিট টু’তে যুক্ত হয়েছে ব্র্যাড পিট, ম্যাট ডেমনের মতো নাম। পরিচালক জর্জ মিলার জানিয়েছেন, ‘হ্যাপি ফিট থ্রি’র কথা মাথায় রয়েছে তার। তবে গল্প ভাবতে সময় লাগবে আরও।

মেন ইন ব্ল্যাক
২০১২ সালে ‘মেন ইন ব্ল্যাক থ্রি’ করার পর টমি লি জোন্‌স এবং উইল স্মিথ ঘোষণা করেছিলেন, চতুর্থ ছবিটা আদৌ করবেন কিনা, ভেবে দেখবেন! তখনই দর্শক মুষড়ে পড়েছিলেন বেশ। তবে শেষ ছবি ভাল রকম ব্যবসা করায় ‘মেন ইন ব্ল্যাক ফোর’ তৈরির কথা ঘোষণা করে দেন প্রযোজকেরা। স্টিভেন স্পিলবার্গ অবশ্য জানিয়েছিলেন, সিক্যুয়েলের প্লট এখনও পরিষ্কার নয় তাদের কাছে। পরিচালক ব্যারি সনেনফেল্ড একবার বললেন, সিরিজের পরের ছবিতে উইলের জায়গায় তার ছেলে জেডন স্মিথকে ভেবেছেন তিনি! এরপর ২০১৪ সালে ‘মেন ইন ব্ল্যাক’ এবং ‘জাম্প স্ট্রিট’এর ক্রসওভার করার কথাও ভাবা হয়। ‘এমআইবি ২৩’ নামে সেই ছবির ভবিষ্যতও অনিশ্চিত। মূল ছবির ১৫ বছর পর তৈরি হয়েছিল সিরিজের তৃতীয় ছবি। কাজেই পরবর্তী ছবির জন্য অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হওয়াটা আশ্চর্যের নয়!

রিও
প্রথম ছবির তুমুল জনপ্রিয়তার পর ‘রিও টু’তে ব্লু, জুয়েল লিন্ডাদের আমাজন অভিযান মোহিত করেছিল খুদেদের। বড়রাও বাদ যাননি অবশ্য। মজার বিষয় হল, পরিচালক কার্লোস সালডান্‌হা প্রথমে ম্যাকাওয়ের বদলে পেঙ্গুইনের কথা ভেবেছিলেন! ‘হ্যাপি ফিট’ এবং ‘সার্ফস আপ’ দেখার পর মত পাল্টাতে বাধ্য হন। ‘রিও’র অন্যতম ইউএসপি হল এর সাউন্ডট্র্যাক। গল্পের পাশাপাশি গানের জন্যেও বহু পুরস্কার জিতেছে ছবি দু’টি। পরিচালক জানিয়েছেন, ব্লু আর তার দলবলকে নিয়ে আরও অনেক গল্প জমে রয়েছে তাঁর কাছে। তাই ‘রিও থ্রি’র সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না মোটেই।

রাশ আওয়ার
জ্যাকি চ্যান-ক্রিস টাকার জুটিকে দর্শক শেষবার দেখেছিলেন ২০০৭ সালে। যদিও এই অ্যাকশন-কমেডি সিরিজের দ্বিতীয় ছবিটিই সবচেয়ে বেশি প্রশংসা কুড়িয়েছিল। ‘রাশ আওয়ার থ্রি’র পর সিক্যুয়েল বানানোর ভাবনা ছিল পরিচালক ব্রেট র্যা টনারের। আপাতত প্রযোজক চাইলেও ভাল চিত্রনাট্যের অভাবে থমকে আছে সিক্যুয়েল। তবে ‘রাশ আওয়ার ফোর’এর সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না স্বয়ং জ্যাকি চ্যানও। কাজেই দর্শক অপেক্ষা করতেই পারেন।

দ্য ক্যারাটে কিড
প্রথমবার ‘দ্য ক্যারাটে কিড’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮৪ সালে। এবং আশির দশকেই তৈরি হয়ে যায় পর পর তিনটে সিক্যুয়েল! তবে জ্যাকি চ্যান-জেডন স্মিথের ‘দ্য ক্যারাটে কিড’ মনে রেখে দিয়েছেন দর্শক। মূল ছবির গল্প অনুসরণেই চিত্রনাট্য লিখেছিলেন ক্রিস্টোফার মার্ফি। তবে ক্যারাটের বদলে ছিল কুং ফু। মার্শাল আর্টের চেয়েও অধ্যবসায় আর আত্মরক্ষার জরুরি কিছু পাঠ শিখিয়েছিল এই ছবি। ২০১৪ সালে নতুন করে সিক্যুয়েল তৈরির জন্য নিক পামারকে স্ক্রিপ্ট লেখার কথা বলা হয়। মুখ্য চরিত্রে সেই জ্যাকি, জেডন এবং তারাজি পি হেনসনকে ভাবা হয় আরও একবার। তবে আদৌ কবে পরবর্তী ক্যারাটে কিডের দেখা মিলবে, সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। সৌজন্যে প্রিয়.কম

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents