৯:৪২ পূর্বাহ্ণ - মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / সারা দেশের খবর / বিভাগের খবর / চট্টগ্রাম / আমরা সারা বাংলাদেশে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত কানেক্টিভিটি পৌঁছিয়ে দিতে চাই : পলক

আমরা সারা বাংলাদেশে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত কানেক্টিভিটি পৌঁছিয়ে দিতে চাই : পলক

polokঢাকা, ১০ এপ্রিল ২০১৬ (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ রোববার সকাল ১১টায় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের মিলনায়তনে ‘দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘আমাদের তরুণরা  ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমাদের তরুণরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন। সেই তরুণদের জন্যই কিন্তু ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা করেছিলেন। আর এ ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্ণিমানে দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী তরুণ প্রজন্মের হাতেই তুলে দিয়েছিলেন। তাই এ বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব কিন্তু তরুণদের হাতে।’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, ‘২০১৫ সালে যখন জাতিসংঘ কর্তৃক আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পেলেন তখনও কিন্তু বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে উৎসর্গ করেছিলেন। আমাদের সৌভাগ্য ডিজিটাল বাংলাদেশের পথ প্রদর্শক তরুণ প্রজন্মের গর্ব যিনি নিজেই একজন আইটি বিশেষজ্ঞ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য সন্তান সজিব ওয়াজেদ জয় যিনি সুদক্ষ হাতে আমাদের এ কার্যক্রমটি পরিচালনা করছেন। যার নেতৃত্বে আমরা আইসিটি ডিভিশন প্রোগামটি হাতে নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘এটি সেই বাংলাদেশ বিগত ৪৫ বছর ধরে সারা বিশ্বের কাছে যেটি ঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল । যে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর একটি অসম্প্রদায়িক দেশ থেকে সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদিদের ঘাটি হিসেবে পরিণত হয়েছিল। যে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে বারবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সে বাংলাদেশকে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের মডেল হিসেবে পরিচিত করতে চায় আমাদের তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে।’

তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য আমরা বেশ কয়েকটি বিষয় হাতে নিয়েছি। আইসিটি ডিভিশনটি মাননীয় আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সজিব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে আমরা তিনটি জায়গায় গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা সারা বাংলাদেশে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত কানেক্টিভিটি পৌঁছায় দিতে চায়। যেটি আমাদের প্রথম দরকার নেটওয়ার্ক মেরুদন্ড তৈরি করা। অপনারা যেনে খুশি হবেন, হয়ত আপনারা আমার ছোট কিন্তু আপনারা এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী। আপনারা সামনে নেতৃত্ব দিবেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। কেউ হয়ত রাজনীতিবিদ হবেন, দেশের মন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট হবেন। কেউ হয়তো শিক্ষক হবেন, কেউ গবেষক হবেন আবার কেউ হয়তো সফল উদ্যোক্তা হবেন। তাই আপনাদের ভিতরে এ বিষয়গুলি জানা প্রয়োজন মনে করি।’

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রশ্ন করে বলেন, ‘আপনারা বলেনতো ২০০৮ সালে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহার সংখ্যা কত ছিল? নিশ্চয় জানেন ১ মিলিয়ন আর বর্তমানে জানেন কত? প্রায় ৫৬ মিলিয়ন বাংলাদেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। মাত্র ৭ বছরের ব্যবধানে ১০ লাখ থেকে শুরু করে ৫ কোটি ৬০ লাখ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। এটি কি শুধুমাত্র গ্রামীণফোন, বাংলালিংক বা রবি করেছে? প্রধানমন্ত্রীর কি একটু অবদান নেই।’

‘কিভাবে অাছে ? এভাবে অাছে যে, আমাদের ২০০৮ সালে ইন্টারনেটের ১ এমবিপিএস দাম ছিল ৭৮ হাজার টাকা আর এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছয় দফা দাম কমিয়ে পার এমবিপিএস এর দাম মাত্র ৬ শ ২৫ টাকায় নিয়ে এসেছে। যার ফলে এখন বুঝতে পারছেন কি করে চলেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’- বলেন ৩৩ বছর বয়সী এই প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফেসবুকে গেলে দেখি একটা বিষয় বারবার বলা হয়, ইন্টারনেটের দাম কমাও নৌকায় ভোট বাড়াও। আমরা জানি বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের ইন্টারনেটের সাশ্রয় প্রয়োজন। আমরা প্রশ্ন করি ২০০৭ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কি রকম ছিল আর এখন কি রকম। তা আমি এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে বুঝতে পারছি। বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে এমনভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তা কিন্তু দৃশ্যমান। এখানে আমরা প্রথম ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করে দিয়েছি।’

তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলা হবে উল্লেখ তিনি বলেন, ‘আমরা তরুণ প্রজন্ম যাদের বয়স ৩৫ এর নিচে তাদেরকে যদি দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি। তাহলে তারা দেশে সম্পদ হবে। যদি দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে না পারি তাহলে তারা আমাদের দেশে বোঝা হয়ে যাবে। তাই তাদের দিকে আমরা নজর দিয়েছি। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশের ৩৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ জিবিপিএস ইন্টারনেট সরবরাহ করার চেষ্টা করছি, যা শিগগরই সরবরাহ করা হবে। ইন্টারনেটে তাই এখন আর সমস্যা থাকবেনা শিক্ষার্থীদের।’

আগামী ২০২১ সালের মধ্যে আইসিটি সেক্টর থেকে  ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করতে পারবে উল্লেখ জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, ‘আমরা আশা করছি এ আইসিটি সেক্টর থেকে আগামী ২০২১ সাল নাগাদ ৫ বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট করতে পারব। এবং এ সেক্টরে প্রায় ২০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারব। তখন দেশে আর বেকার থাকবনা। তাই আপনারা এ সুযোগগুলো গ্রহণ করুন।’

পরিশেষে তিনি ঘোষণা করেন, বাংলাদেশের প্রথমবারের মত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ একর জমির উপর ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আইসিটি সেন্টার গড়ার তুলার। সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ জন শিক্ষার্থীরে ল্যাপটপ তুলে দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

সেমিনারে অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, উপ-উপাচার্য ড.শিরীণ আখতার চৌধুরী, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলর (বিসিসি) নির্বাহি সপরিচালক এস এম আশরাফুল ইসলাম ও সামি আহমেদ।

উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. কামরুল হুদা, প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরীসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ প্রমুখ।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents