৯:৫৮ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার, ২৫ জুন , ২০১৯
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আওয়ামী লীগ নেতাদের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে : রিজভী

সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আওয়ামী লীগ নেতাদের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে : রিজভী

Rizvi   02.4.16ঢাকা, ০২ এপ্রিল ২০১৬ (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আওয়ামী লীগ নেতাদের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কৃষিবিদ ইনিস্টিটিউশনে বিএনপিপন্থি কৃষিবিদদের সংগঠন অ্যাবের আলোচনা সভা পুলিশি বাধায় পণ্ড হওয়া প্রসঙ্গে রিজভী আহমেদ বলেন, ‘কৃষিবিদ ইনিস্টিটিউশনে অ্যাবের ওই আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিবের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। ইনস্টিটিউশনের অনুমতিসহ প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরেও পুলিশ অ্যাবের সে প্রোগ্রাম বানচাল করে দিয়েছে। কোনো কারণ, ওজুহাত ও যুক্তি ছাড়াই সম্পূর্ণ গায়ের জোরে এটি করা হয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘ভোটারবিহীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার দলের নেতারা স্বাধীনতার একক দাবিদার হিসেবে সারা দেশে ওলট-পালট করে বেড়াচ্ছেন হয়। মনে হয়, স্বাধীনতা যুদ্ধে এ দেশের আর কারো কোনো ভূমিকাই ছিল না। একমাত্র ভূমিকা ছিল শেখ হাসিনা আর তার পরিবারের। যদিও সত্যিকারের ইতিহাসের পাতায় এর দৃশ্যমান কোনো দৃষ্টান্ত নেই। কিন্তু উনি গায়ের জোরে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও বন্দুকের জোরে স্বাধীনতার একক ঠিকাদার সেজেছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধে অন্য কোনো ব্যক্তি কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক দল অথবা নেতৃত্বের ভূমিকা তার (শেখ হাসিনা) কাছে অত্যন্ত অপ্রীতিকর ঠেকে। সে কারণে স্বাধীনতা দিবসে সেই সমস্ত রাজনৈতিক দলের কোনো কর্মসূচি উনি করতে দিবেন না।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আওয়ামী লীগের নেতাদের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সেটি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন হোক, আর কৃষিবিদ ইনিস্টিটিউশন হোক কিংবা অন্য যেকোনো সরকারি মিলনায়তন বা জেলা পরিষদ মিলনায়তনই হোক। যেন এগুলো ওদের ব্যক্তিগত মালিকানা, তাদের বাপ-দাদার সম্পত্তি। সেখানে তারা কারণে-অকারণে প্রোগ্রাম করবেন। অথচ অন্য রাজনৈতিক দলের সেখানে (প্রোগ্রাম করার) কোনো অধিকার নেই।’

রিজভী বলেন, ‘স্বাধীনতা, স্বাধীনতা দিবস ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমরা যত আলোচনা করবো (মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে) আওয়ামী লীগের ভণ্ডামির চেহারা তত বেশি বেরিয়ে আসবে। বিরোধী দল কিংবা অন্য রাজনৈতিক দল যারা সত্যিকারের ইতিহাস উচ্চারণ করেন, কথা বলেন-স্বাধীনতা দিবসের প্রোগ্রামে তাদেরকে এরা বাধা দেয়। এই কারণে যে, স্বাধীনতা যুদ্ধে তাদের যে অনুপস্থিতি, সেটি মানুষের কাছে বার বার স্মরণ হবে। ফলে তাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়ে যাবে। এই লজ্জাবোধ থেকে তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আর এই ক্ষোভ থেকেই তারা দানবীয় অত্যাচারী হয়ে এই সমস্ত অনুষ্ঠান বন্ধ করে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের ভুইয়া, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার প্রমুখ।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

সকল ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ দেশের শান্তি ও অগ্রগতি …

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents