২:১২ পূর্বাহ্ণ - বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / সড়ক দুর্ঘটনায় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জগলুল, বিভাস, দীনেশের পর ফারুক মারা গেলেন

সড়ক দুর্ঘটনায় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জগলুল, বিভাস, দীনেশের পর ফারুক মারা গেলেন

joklul to faruk   13.12.15ঢাকা, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৫ (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): রাজধানীতে গত তিন বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাকার চারজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের মৃত্যু হয়েছে। এসব ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলেও দোষীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। সড়ক দুর্ঘটনায় বিপুলসংখ্যক মানুষ মারা গেলেও কোনো চালক বা মালিককে দেয়া হয়নি কারাদণ্ড। বারবার এসব ঘটনার অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার তথা রাষ্ট্রপক্ষ। পুলিশ ও সরকারি আইন কর্মকর্তাদের উদাসীনতার কারণে অপরাধীদের শাস্তি হচ্ছে না বলে মনে করেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

গত তিন বছরে রাজধানী ঢাকায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত চারজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এরা হলেন- আজকের পত্রিকায় প্রধান প্রতিবেদক আবদুল্লাহ আল ফারুক, বাসসের সাবেক প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জগলুল আহমেদ চৌধূরী, ইংরেজি দৈনিক ইনডিপেন্ডেন্টের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিভাস চন্দ্র সাহা এবং দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক দীনেশ দাস।

২০১৪ সালের ২৯ নভেম্বর জগলুল আহমেদ চৌধূরী (৬৫) সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বাসের ধাক্কায় তার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটিও করেছিলো সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। বাসচালকের অবহেলার কারণেই সাংবাদিক জগ‌লুল আহমেদ চৌধূরীর মৃত্যু হয়েছিল—তদন্তে তা প্রমাণিত হলেও ওই বাসচালককে চিহ্নিত করা যায়নি। পরে পুলিশ মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়ায় মামলাটি মাটিচাপা পড়ে যায়।

২০১২ সালের ১১ মে ধানমন্ডির ২ নম্বর সড়কে বাসচাপায় নিহত হন ইংরেজি দৈনিক ইনডিপেন্ডেন্টের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিভাস চন্দ্র সাহা। একই দিনে শাহবাগে বাসের ধাক্কায় নিহত হন বরিশালের দৈনিক মতবাদ পত্রিকার ফটো সাংবাদিক শহীদুজ্জামান টিটু।

ঘটনার দিন নিহতের ভাই রথীন্দ্রনাথ সাহা ধানমণ্ডি থানায় বাসচালক সজল হাওলাদার ও শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করলেও কোনো সাক্ষী আদালতে আসেননি।

২০১২ সালের ৮ জানুয়ারি কাকরাইলে বাসের চাপায় নিহত হন সাংবাদিক দীনেশ দাস (৪৭)। তিনি দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ছিলেন। তার ১১ দিন আগে বাসচাপায় পা হারান আরেক সাংবাদিক নিখিল ভদ্র।

এ ঘটনায় নিহত দীনেশের ভাই সুষেন চন্দ্র দাস রমনা থানায় মামলা করেন। এ মামলায়ও আদালত চালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। কিন্তু সাক্ষীরা আদালতে না আসায় এ মামলাটিরও বিচার কার্যত বন্ধ রয়েছে। মামলার আসামি বাদশা মিয়াও জামিনে আছেন।

সর্বশেষ গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতরভাবে আহত হন কালের কণ্ঠের সাবেক উপ-সম্পাদক আবদুল্লাহ আল ফারুক (৫০)। আজ রোববার সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ফারুকের মৃত্যু হয়। তিনি আজকের পত্রিকায় প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ফারুকের নিহত হওয়ার ঘটনায় থানায় এখনো মামলা হয়নি বলে জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের ক্ষেত্রে গাড়িচালক কিংবা মালিকদের বিরুদ্ধে ২০ ভাগ ক্ষেত্রে নিয়মিত মামলা হয়। বাকি ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে অপমৃত্যুর মামলা হয় থানায়। নামমাত্র জরিমানা করে আসামিদের খালাস দেয়া হয়। নিয়মিত মামলায় নামমাত্র তদন্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। অভিযোগপত্রের সাক্ষীরা আদালতে আসে না। এভাবে সড়ক দুর্ঘটনার মামলাগুলো বছরের পর বছর পড়ে থাকে আদালতে।

বিশিষ্ট সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিকের মতে, সড়ক দুর্ঘটনায় দোষীদের বিচারে আসামির কি দণ্ড হল তা নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো মাথাব্যথা নেই। তবে তিনি মনে করেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা দেওয়ানি আদালতে বাসের মালিকদের বিরুদ্ধে ফ্যাটাল অ্যাক্সিডেন্ট আইনে মামলা করতে পারেন। পৃথিবীর সব দেশেই তাই হয়। সৌজন্যে ঢাকাটাইমস

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents